ভারতের বেটিং কেলেঙ্কারি তদন্তে সাকিবের বোনের নাম

0
91

সাকিব আল হাসানের নাম আবারও বেটিংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে গেল। এবার অবশ্য প্রত্যক্ষভাবে নয়, পরোক্ষভাবে আসল এই তারকার নাম। ভারতের একটি বেটিং অ্যাপ কেলেঙ্কারির তদন্তে উঠে এসেছে চমকে দেয়া তথ্য। একটি অ্যাপে বিনিয়োগ করেছেন সাকিবের ছোট বোন জান্নাতুল হাসান।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ও আজ তাক-এ প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রচলিত “11wicket.com.bd” নামে একটি অনলাইন বেটিং অ্যাপে সাকিবের বোনের নাম এসেছে।

ভারতীয় বাজিকর সুরুজ চোখানি এই অ্যাপটির বিনিয়োগকারী। জানা যায়, তার সঙ্গেই অংশীদার ছিলেন জান্নাতুল হাসান। সুরুজ চোখানি বর্তমানে ভারতীয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) কর্তৃক গ্রেফতার আছেন। ইডির জিজ্ঞাসাবাদেই জান্নাতুল হাসানের নাম প্রকাশ করেছেন তিনি।

গত বছর সেপ্টেম্বরে বেটিং কেলেঙ্কারি তদন্তের সূত্রপাত। মহাদেব বেটিং অ্যাপ নামক একটি অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিপুল আর্থিক দুর্নীতির খোঁজ পায় ইডি। সেই ঘটনার তদন্তে ভারতের অনেক প্রভাবশালীদের নাম উঠে আসে।

ইন্ডিয়া টুডের অনলাইন এবং আজ তাক–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহাদেব বেটিং অ্যাপ তদন্তে গ্রেপ্তার করা হয় দুই ব্যবসায়ী সুরুজ চোখানি ও গিরিশ তালরেজাকে।

এ নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা ইডি সূত্র জানিয়েছে, সুরুজ চোখানি নেপালের কাঠমান্ডুতে একটি ক্যাসিনোয় ৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশে 11wicket.com.bd নামের একটি বেটিং অ্যাপে বিনিয়োগ করেন। এতে তার অংশীদার ছিলেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বোন জান্নাতুল হাসান।

লোটাস৩৬৫ নামের বেটিং অ্যাপের স্বত্বাধিকারী গিরিশ তালরেজা। এছাড়া লোটাস৩৬৫ এর সঙ্গে রতন লাল জইন ও সৌরভ চন্দ্রকর নামক আরও দুজন বাজিকরের নাম আছে। মহাদেব বেটিং অ্যাপ ও লোটাস৩৬৫ অ্যাপের সূত্র ধরে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান চালিয়ে প্রায় ১ কোটি নগদ অর্থ ও প্রায় দুই কোটি রূপির মতো মালামাল জব্দ করেছে ইডি।

যদিও ভারতের সংবাদ মাধ্যমের ওই রিপোর্টের সূত্র ধরে বাংলাদেশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এখনও কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। বেটিং কেলেঙ্কারিতে নিজেদের নাম জড়িয়ে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার হতে চললেও সাকিব বা তার বোনের পক্ষ থেকেও কোন বিবৃতি আসেনি।

এর আগে সাকিব আল হাসানও আলোচনায় এসেছিলেন। স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও আইসিসিকে অবহিত না করায় ২০১৯ সালের অক্টোবরে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। ২০২২ সালে বেটিং–সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বেট উইনার নিউজের পণ্যদূত হয়েও বিতর্কে জড়ান সাকিব। পরে অবশ্য বিসিবির চাপে ওই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াতে হয় তাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here